পোস্টগুলি

জুলাই, ২০২৪ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

একজন প্রবাসীর কখনোই প্রবাস জীবনের শুরুতে এই ৩ টি কাজ না করাই উত্তম ।

ছবি
 একজন প্রবাসীর কখনোই প্রবাস জীবনের শুরুতে এই ৩ টি কাজ না করাই উত্তম । ১। বাড়ি তৈরি করা : অনেক প্রবাসীরই স্বপ্ন থাকে একটা সুন্দর ও নিজের বাড়ি তৈরি করার । তাই অনেক প্রবাসী কোন রকম ধারদেনা পরিশোধ করা শেষে, শুরু করে দেয় বাড়ি তৈরি করা কিংবা বাবা মা প্রেসার দেয় নতুন বাড়ি তৈরি করার জন্য । কিন্তু প্রবাস জীবন অনেকটা অনিশ্চয়তার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়, এই ভালো এই খারাপ । তাই আগে নিজের জন্য সেভিংস রেখে কিংবা কিছু জমি ক্রয় করে তারপর বাড়ি তৈরি করা যেতে পারে । তা না হলে পরবর্তীতে আফসোস এবং দেশে গিয়ে অন্যের কাছে হাত পেতে চলতে হবে । আর দেশে একেবারে গিয়ে কখনোই নিজের সব টাকা দিয়ে বাড়ি বানানো উচিত নয় । মনে রাখবেন, বাড়ি থেকে কোন ইনকাম না আসলে সৌখিন করে লাখ লাখ টাকা খরচ করে বাড়ি না বানানো উত্তম ।  ২। বিয়ের খরচ : অনেক প্রবাসী কষ্ট করে লাখ লাখ টাকা ইনকাম করে দেশে গিয়ে বিয়ে করে বেশীর ভাগ টাকা খরচ করে ফেলে , এমন কি আরও টাকা পরিবার বন্ধু বান্ধবদের কাছ থেকে নিয়ে বিয়ের কাজ সম্পূর্ণ করে থাকে, তা মোটেও ঠিক নয় । যতটুকু পারা যায় কম খরচে বিয়ের কাজ সম্পূর্ণ করাই উত্তম কারন যত বেশী খরচ করে আয়োজন করবেন, দেখব...

অনার্স পাস করেও এক যুবক দীর্ঘদিন ধরে চাকরি পাচ্ছে না!

ছবি
 অনার্স পাস করেও এক যুবক দীর্ঘদিন ধরে চাকরি পাচ্ছে না! হঠাৎ একদিন চিড়িয়াখানায় তার একটা চাকরি হয়ে গেল। চিড়িয়াখানার বাঘটা হঠাৎ করে মারা যাওয়ায় খাঁচাটা শূন্য পড়ে আছে। কর্তৃপক্ষ বললঃ তুমি যদি খাঁচার ভেতর একটা বাঘের পোষাক পরে বাঘের মত তর্জন গর্জন দিতে পারো তাহলে মাসে ৮হাজার টাকা পাবে। বেকার ছেলেটা তাতেই রাজি। রোজ চিড়িয়াখানা খোলার আগে সে বাঘের পোষাক পরে খাঁচায় ঢুকে পড়ে। দর্শক এলে তাদেরকে তর্জন- গর্জন ও আরো নানা কায়দা-কুসরত দেখিয়ে ভীষণ আনন্দ দেয়। দেখতে দেখতে চিড়িয়াখানার দর্শক বেড়ে গেল। বাঘের খাঁচার সামনে বিরাট ভিড়। চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষও খুশি হয়ে বেতন বাড়িয়ে দিল। ভালোই চলছিল দিন....... হঠাৎ একদিন হলো বিপত্তি...!!! বাঘের খাঁচার পাশেই ছিল সিংহের খাঁচা। দুই খাঁচার মাঝে একটা লোহার জালের বেঁড়া। একদিন সেই বেঁড়া ধরে লাফিয়ে নেচে- কুদে মজা দেখাতে গিয়ে পুরনো বেঁড়া ভেঙ্গে সে গিয়ে পড়লো সিংহের খাঁচার ভেতর। এখন কী হবে? পৈতৃক প্রাণটা বুঝি আজ সিংহের হাতেই গেল...! ভয়ে জবু থবু হয়ে খাঁচার এক কোনে বসে দোয়া-দুরুদ পড়তে লাগলো বেচারা। এদিকে সিংহটাও কিছুক্ষণ চুপকরে বসে থেকে ধিরে...