অনার্স পাস করেও এক যুবক দীর্ঘদিন ধরে চাকরি পাচ্ছে না! হঠাৎ একদিন চিড়িয়াখানায় তার একটা চাকরি হয়ে গেল। চিড়িয়াখানার বাঘটা হঠাৎ করে মারা যাওয়ায় খাঁচাটা শূন্য পড়ে আছে। কর্তৃপক্ষ বললঃ তুমি যদি খাঁচার ভেতর একটা বাঘের পোষাক পরে বাঘের মত তর্জন গর্জন দিতে পারো তাহলে মাসে ৮হাজার টাকা পাবে। বেকার ছেলেটা তাতেই রাজি। রোজ চিড়িয়াখানা খোলার আগে সে বাঘের পোষাক পরে খাঁচায় ঢুকে পড়ে। দর্শক এলে তাদেরকে তর্জন- গর্জন ও আরো নানা কায়দা-কুসরত দেখিয়ে ভীষণ আনন্দ দেয়। দেখতে দেখতে চিড়িয়াখানার দর্শক বেড়ে গেল। বাঘের খাঁচার সামনে বিরাট ভিড়। চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষও খুশি হয়ে বেতন বাড়িয়ে দিল। ভালোই চলছিল দিন....... হঠাৎ একদিন হলো বিপত্তি...!!! বাঘের খাঁচার পাশেই ছিল সিংহের খাঁচা। দুই খাঁচার মাঝে একটা লোহার জালের বেঁড়া। একদিন সেই বেঁড়া ধরে লাফিয়ে নেচে- কুদে মজা দেখাতে গিয়ে পুরনো বেঁড়া ভেঙ্গে সে গিয়ে পড়লো সিংহের খাঁচার ভেতর। এখন কী হবে? পৈতৃক প্রাণটা বুঝি আজ সিংহের হাতেই গেল...! ভয়ে জবু থবু হয়ে খাঁচার এক কোনে বসে দোয়া-দুরুদ পড়তে লাগলো বেচারা। এদিকে সিংহটাও কিছুক্ষণ চুপকরে বসে থেকে ধিরে...
আমার গার্লফ্রেন্ড একটা ছেলের সাথে ছবি পোস্ট করেছে! ছবিটা দেখেই বুঝা যায় দুইজন খুব ক্লোজ। গার্লফ্রেন্ডের এই আইডিতে আমি এড নাই! আমার গার্লফ্রেন্ড কে জিজ্ঞেস করলাম, "তোমার এই আইডির কথা আমাকে বলোনি কেন?" অবাক হয়ে আমার দিকে তাকিয়ে বলল, "কোন আইডি রায়হান? আমার তো একটাই আইডি। সেটাতে তো তুমি আছ।" পোস্ট বের করে সুইটি কে দেখালাম। সুইটি চোখ বড়ো করে আমার দিকে তাকিয়ে বলল," ওমা দেখছ বাবু! ছেলেটা কী ফাজিল! আমার ছবি দিয়ে ফেক আইডি খুলছে। তুমি এক্ষুণি রিপোর্ট করো।" আমি আইডিতে রিপোর্ট করলাম। এরপরে ওই আইডিটা খুঁজে পাইনি। মনে হয় ফেসবুক ব্যান করে দিয়েছে। এর কিছুদিন পরে আরেকটা আইডি দেখলাম। সুইটি দেখে বলল, বাবু! আমি আর ফেসবুক চালাব না! এ সব ফাজিল ছেলেরা শুধু আমার ছবি দিয়ে কয়দিন পরপর ফেক আইডি খুলে। আবার দেখ ছবি এডিট করে অন্য ছেলের সাথে ছবি পোস্ট করে! ভাগ্যািস! তুমি দেখছ। যদি আব্বু দেখত তাহলে আমাকে মেরেই ফেলত। সুইটির আব্বু অবশ্য বিদেশে থাকে। শুক্রবারে সুইটি কে কল দিলাম। " আজ বের হতে পারবা? " "না, বাবু আজ বের হতে পারব না।" ভেবেছিলাম শুক্রবার আর বের হবো না। এ...
এক মহিলা হাতে হা'তু'ড়ি নিয়ে হন্তদন্ত হয়ে নিজের ছেলের স্কুলে এসে দারোয়ান কে জিজ্ঞেস করলেন... "দাস স্যারের ক্লাস কোনটা??" 🤔🤔 দারোয়ান ভয়ে পেয়ে জিজ্ঞেস করে,"কেনো, কি হয়েছে ম্যাডাম?? 😱😱 .....তুমি কথা না বলে শুধু ক্লাস কোথায় বলো!! 😡😡 দারোয়ান ভয়ে দৌড়ে যায় দাস স্যারের কাছে। "স্যার, এক ভদ্রমহিলা আপনাকে খুঁজছেন, হাতে হা'তু'ড়ি।" 🥹😌🥺 সব শুনে দাস স্যার প্রিন্সিপালের কক্ষে গিয়ে ঘটনা টা জানান। প্রিন্সিপাল এসে মহিলা কে সবিনয়ে জিজ্ঞেস করেন.... "কি হয়েছে ম্যাডাম, আপনি শান্ত হোন।" "আমি শান্ত আছি। শুধু দাস সারের ক্লাস কোথায় জানতে চাই!!" "কিন্তু কেনো?? 🤔🤔 আমাকে বলুন।" মহিলা বললেন.. "আমি ওই বেঞ্চের প্যা'রে'ক ঠু'ক'তে এসেছি। গত তিন দিন ধরে আমার ছেলের তিনটে প্যান্ট ছিঁ'ড়ে'ছে!!" 😃😃😃😂😂😂 নতুন নতুন মজার গল্প যাতে পোস্ট করার সাথে সাথে আপনার কাছে পৌঁছে যায়, তাই আমার আইডি ফলো দিয়ে রাখতে পারেন🥰
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন